মির্জা ইমতিয়াজ শাওন: শুক্রবার সকালে অর্থমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম চট্টগ্রামে এসে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিপুল সংখ্যাক মানুষ তাকে স্বাগত জানাতেউপস্থিত হয়, এ উপস্থিত জনতাকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এখন বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে চট্টগ্রাম-এর পূর্ণ সম্ভাবনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে। এজন্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বন্দর কার্যক্রম আধুনিকায়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “এখন বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে। এখানে বিনিয়োগের অনেক বড় সুযোগ রয়েছে, সেদিকে আমাদের এগোতে হবে। পোর্টের কার্যক্রম আরও উন্নত করতে হবে, বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তো বাণিজ্যিক রাজধানী গড়ে উঠবে।”
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়ন নিয়ে সরকারের অনেক পরিকল্পনা রয়েছে, তবে সেগুলো এক কথায় তুলে ধরা সম্ভব নয়। তিনি কর্মসংস্থানকে দেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন।
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা চট্টগ্রাম সফরে এসে তিনি সকাল সাড়ে ১১টায় নগরের পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলীর নাজির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন। পরে নগরের কদমতলী মাদারবাড়ী জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন।
এরপর নগরের মেহেদিবাগস্থ নিজ বাসভবনে বেলা আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন। একই স্থানে বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বন্দর কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
সফর শেষে রাত ৮টা ২৫ মিনিটে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়ার কথা রয়েছে।
নিজ জেলা সফরের অনুভূতি জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, “ভালো লাগছে। আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি। একটি নির্বাচিত সংসদ ও সরকার হয়েছে। দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের উন্নয়নে আমাদের অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে হবে।


