হেলাল বিন ইলিয়াছ
আমরা মুসলিম। আমরা জন্মগতভাবে সহজে ইসলাম ধর্ম পেয়েছি, অথচ ইসলামের ইতিহাস পর্যালোচনা আমাদের বিষয়, ধর্মীয় শিক্ষা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব, বিশেষ করে কোরআন শিক্ষা ও ইসলামিক জ্ঞান আমাদের নৈতিক অবক্ষয় রোধ করে। আমরা সামাজিক জীব বৈচিত্র্য পৃথিবীর বৈচিত্র্য নিয়মের বাইরে ইসলামি জীবনই আলোকিত জীবন। আমরা রোজাকে ফরজ মনে করে আহারে থেকে বিরত থাকি অথচ অজস্র মানুষ ফরজ নামাজ কাজা করে বসে, নামাজকে অবজ্ঞা ও অবহেলা করে।
আলোকিত মানুষের কথা বলি, আলোকিত মানুষ হতে হলে প্রথমত ধার্মিক ও খোদা ভিরু হতে হবে। বাস্তবতার পৃথিবীতে আমরা আলোকিত মানুষ বুঝি ভালো চাকুরি, বড় ব্যবসায়ি, সরকারি চাকুরিজীবি,
শিক্ষিত সমাজ। অথচ আলোকিত মানুষকে প্রথমত ধার্মিক, শিক্ষিত ও ন্যায়পরায়ন আমানতদার হতে হবে । মনুষ্যত্ব ভূলন্ঠিত ভূমিকা পালন করে থাকে আলোকিত মানুষ গঠনে।আলোকিত মানুষ মানে সুন্দর সমাজ, সুন্দর আগামীর পথ চলা।
ধর্মীয় জ্ঞান মানুষকে সৎ পথে পরিচালিত করে। নামাজ যেমন ফরজ , ধর্মের জ্ঞান আহরণ করাও ফরজ। আমরা মুসলিম হিসাবে আমরা যে পেশায় হইনা কেন ধর্মীয় জ্ঞান আহরণ করা একান্ত জরুরি। কথন আছে – জ্ঞান আহরণের জন্যে প্রয়োজনে চীন দেশে যাও। জন্মের পর থেকে অভিবাবকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে সন্তানদের উপর ” যা ইসলামে সন্তানের উপর পিতামাতার হক ” হিসেবে ছিন্নিত। যেমন সন্তান ভূমিষ্টের পরে সন্তানের দু’কানে আজান ও একামত দেওয়া, সপ্তমদিনে চুল ফেলা, সুন্দর ইসলামি নাম রাখা, আকিকা দেওয়া ইত্যাদি । বিবাহ সুন্নত, কিছু নিয়ম কানুন জানা জরুরি। এভাবে যে স্তরে তার সে বিষয়ে ইসলামিক জ্ঞান থাকা জরুরি। এছাড়া বর্তমানে ইসলামিক ভাবে চলাফেরা আর ধর্মীয় অনুভূতি রেখে সুন্দরভাবে পথ চলায় আলোকিত জীবন। সুতরাং আলোকিত জীবন গঠনে ইসলামি জ্ঞান থাকা অত্যবশক


