মিরসরাই প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘটিত মারামারির ঘটনায় ৪ কিশোরকে আইনের আওতায় এনেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ।
সোমবার (১৮ মে) ভোররাতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
জানা গেছে, গত রোববার (১৭ মে) দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে বারইয়ারহাট ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের সামনে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষার হলে খাতা না দেখানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পরীক্ষা শেষে ফেরার পথে দুই পরীক্ষার্থীকে ক্ষুর দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ ওঠে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
আহতরা হলেন বারইয়ারহাট কিন্ডারগার্টেন স্কুলের পরীক্ষার্থী শাখাওয়াত হোসেন জিহান ও মুহাম্মদ মুনায়েম। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকরা জানান, জিহানের শরীরে ১৯টি এবং মুনায়েমের শরীরে ৩২টি সেলাই দিতে হয়েছে।
আহত শাখাওয়াত হোসেন জিহান বলেন, “পরীক্ষা শেষে বের হওয়ার পর কয়েকজন পরীক্ষার্থী আমার বন্ধু মুনায়েমকে মারধর শুরু করে। তাকে বাঁচাতে গেলে আমাকেও ক্ষুর দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। গত এক সপ্তাহ ধরে করেরহাট স্কুলের কয়েকজন পরীক্ষার্থী বিভিন্নভাবে ঝামেলা করছিল।”
এ ঘটনায় আহত জিহানের বাবা মো. আলমগীর ৭ জনের নাম উল্লেখ করে জোরারগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ৪ কিশোরকে আটক করে। আটকরা হলো— সাজিদ হোসেন রাফি (১৭), মুক্তাদুল ইসলাম মাহিদ (১৭), নওশীন ইসলাম রামীম (১৭) ও মোশারফ হোসেন (১৭)।
জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম বলেন, “এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মারামারির ঘটনায় ৪ জন কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাদের বিধি মোতাবেক আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”


