সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বাইন্যা ঘোনা গ্রামে সাংবাদিকের পরিবারের উপর সন্ত্রাসী তাণ্ডবের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি ভূমিদস্যু চক্রের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাইন্যা ঘোনা গ্রামের মৃত একরাম মিয়ার ছেলে আবদুল মজিদের নেতৃত্বে তার চার ছেলে—রাশেদ, জাহেদ, মুহিব ও শহীদ, সঙ্গে কামালের ছেলে মাসুদ, রশিদ আহমদের ছেলে আতিক, আবদুল্লাহ, এবং এনামসহ একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালিয়ে সাংবাদিক গিয়াসউদ্দিনের ভোগ দখলীয় প্রায় ১০ শতক জমি জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে।
এ সময় হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এবং একটি খড়ের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী পেকুয়া উপজেলার কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিক গিয়াসউদ্দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে নিজের ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে পেকুয়া প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা দাবি করেছেন।
সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন জানান, গত ১৯ মে বেলা ২টার পর তিনি চকরিয়া থেকে নিএনজি অটোরিকশা করে বাড়ি ফেরার পথে পেকুয়া চৌমুহনী এলাকায় তার গতিরোধ করে আবদুল সজিদের নেতৃত্বে ১২ জনের একদল সন্ত্রাসী। এসময় মব সৃষ্টি করে তাকে গুরুতর আহত করে এবং মোবাইল, নগদ টাকা ও ল্যাপটপ ছিনতাই করে।
এ ঘটনায় ভূমিদস্যু আবদুল মজিদ, তার ছেলে রাশেদ, শহিদ, মুহিব, ভাতিজা এনাম, আতিক, আবদুল্লাহসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিন্ট্রেট আদালতে মামলা করেন সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন।
আদালত মামলাটি আমলে কক্সবাজারের পিবিআই পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন। উক্ত মামলা দায়ের এর ২ দিন পর আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে আবারো বুধবার ২৭ মে সকালে সাংবাদিক পরিবারের ওপর বেপরোয়া হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালিয়েছে। হামলাকারীরা এসময় বসত ঘরের প্রায় লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মাঝে উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


