চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেকবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার, বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ জিয়া ছিলেন বাংলার আকাশের সবচেয়ে উজ্জল নক্ষত্র। স্বাধীনতাত্তোর দুর্ভিক্ষ পিড়িত জনগন যখন শুধু অনিশ্চয়তা আর হতাশা ছাড়া আর কিছুই চোখে দেখছিলনা, ঠিক তখনই জিয়া জালিয়েছিলেন আশার আলো, বাংলাদেশের জনগন বুকে বেধেছিল অনেক বড় স্বপ্ন।তিনি চেয়েছিলেন জাতিকে একটি মর্যাদাবান ও গৌরবোজ্জ্বল সোপানে পৌঁছে দিতে। আজ তাই জাতীয় জীবনের চলমান সংকটে শহীদ জিয়ার প্রদর্শিত পথ ও আদর্শ বুকে ধারণ করেই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। জাতীয় স্বার্থ,বহুমাত্রিক গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার সুরক্ষায় ইস্পাত কঠিন গণঐক্য গড়ে তুলতে হবে।তাঁর আদর্শ ধারণ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমান এর নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা গণতন্ত্র রক্ষায় রাজপথে লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। শহীদ জিয়ার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মী বদ্ধ পরিকর। শহীদ জিয়ার ৮৭তম জন্ম বার্ষিকীতে আজ আমরা তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।
তিনি আরোও বলেন, উন্নয়নের কথা বলে আওয়ামীলীগ বাংলাদেশকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে। সরকারের দুর্নীতি ও দু:শাসনের কারণে জনজীবন বিষিয়ে উঠেছে। গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির ফলে দেশের মানুষের ভোগান্তি আজ চরমে। ক্রয়ক্ষমতার মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। তবুও সরকার গ্যাস ,বিদ্যুৎ এর মূল্য বৃদ্ধির মত গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। জনগণকে কাবু করতে, আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যাতে কেউ কথা বলতে না পারে এবং নেতাকর্মীদের মাঝে ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সারাদেশব্যাপী চলমান বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশ দিয়ে বাধা দেওয়া হচ্ছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে গণহারে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। সারাদেশে জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে জেগে উঠছে,তাই ভয় দেখিয়ে জনগণের মুক্তির আন্দোলনের পথ বাধাগ্রস্থ করা যাবে না। নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের এই সকল ষড়যন্ত্র, নৈরাজ্য ও অপতৎপরতা রুখে দিতে হবে।
তিনি আজ ১৯ জানুয়ারী (বৃহস্পতিবার) বাদে যোহর মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৮৮তম জন্মদিন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগন স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণকালে একথা বলেন। মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, আরাফাত রহমান কোকো এর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেন, বাংলাদেশে বহুদলীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন, সময়োপযোগী গতিশীল পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ব রাজনীতিতে বাংলাদেশের স্বতন্ত্র অবস্থান ও গতিপথ নির্ধারণ এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে সহযোগিতার পথনির্দেশ শহীদ জিয়ার অন্যতম অবদান। তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা করেন। উৎপাদনের রাজনীতির মাধ্যমে দেশীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধশালী করেন। বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির আখ্যা থেকে খাদ্য রপ্তানীকারক দেশে পরিণত করেন। তার অর্থনৈতিক সংস্কারের কারণেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত হয়। জনগণের মনিকোঠায় যার স্থান তিনি জনগণের হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকবেন। তাঁর আদর্শকে বুকে ধারণ করে আমরা গণতন্ত্রের বিজয় ছিনিয়ে আনব।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে শরিক হোন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, সহ-সভাপতি হারুন আল রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক দিদার হোসেন,মাকলেছুর রহমান,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, ডবলমুরিং থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আকতার হোসেন বাবলু, বন্দর থানা আহবায়ক রিয়াজ উদ্দিন রাজু, সদস্য সচিব আরমান শুভ,যুগ্ম আহবায়ক জসিম উদ্দিন,মো. মুন্না সহ থানা ও ওয়ার্ড এর অসংখ্য নেতৃবৃন্দ ।


