সামরিক ব্যয় ৭ শতাংশ বৃদ্ধি করতে যাচ্ছে চীন। দেশটির ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসে (এনপিসি) এ ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে বেইজিংয়ের সামরিক বাজেট প্রায় ২২৫ বিলিয়ন ডলার। সামরিক বাজেটে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চীন। যদিও প্রথমে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের চার ভাগের এক ভাগ এই বাজেট।
খবরে জানানো হয়, বিশ্লেষকরা বিশ্বাস করেন যে, চীন প্রতিরক্ষা খাতে যত অর্থ ব্যয় করে প্রকাশ করে তার অনেক কম। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং এনপিসিতে বলেন, চীনকে দমন করতে বিদেশি চেষ্টা ক্রমশ বাড়ছে। তাই সশস্ত্র বাহিনীর উচিত সামরিক প্রশিক্ষণ এবং প্রস্তুতি জোরদার করা। এছাড়া বৈঠকে ঘোষণা করা হয় যে, এ বছর চীনের প্রবৃদ্ধি কমে ৫ শতাংশে নেমে আসবে।
প্রতি বছরই এই অধিবেশন বসে এনপিসিতে। তবে এই বছরের অধিবেশন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে।
এবারের বৈঠকগুলোতে কমিউনিস্ট পার্টি এবং রাষ্ট্রীয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নীতিতে সংস্কার আনা হবে। তাছাড়া তৃতীয় বারের মতো চীনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শি জিনপিংকেও অনুমোদন দেয়া হবে এ সপ্তাহে। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি তাকে তৃতীয় মেয়াদের জন্য তাদের নেতা হিসাবে পুনরায় নির্বাচিত করেছিল।
মার্কিন কর্মকর্তারা বারবার সতর্ক করে বলছেন যে, চীন আগামী বছরগুলিতে তাইওয়ানে আক্রমণ করতে পারে। চীন তাইওয়ানের চারপাশে আকাশ ও সমুদ্রে তার সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে চলেছে। তাইওয়ানের উপর দিয়ে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও নিক্ষেপ করা হয়েছে। চীন স্ব-শাসিত তাইওয়ানকে একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসাবে দেখে।


