চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান বলেছেন, এক দফা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পূর্ণবহাল করে আগামী নির্বাচনের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। জনগণ ভোট ডাকাত সরকারকে প্রত্যাখান করেছে, জনগণের দাবি আদায়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজপথে থাকবে। প্রশাসনকে দলীয়ভাবে ব্যবহার করে বিএনপিকে দমানো যাবেনা। প্রশাসনের যেসব সুবিধাভোগী কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় অতীতের নির্বাচনগুলোতে ভোট ডাকাতি করেছেন এখন তাদের দলীয় মনোনয়ন দিয়ে পুরষ্কৃত করছেন। দেশের মানুষ এদের চিহ্নিত করেছে। সকল অন্যায়কারীকে একদিন জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। সাহস থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে নিজেদের জনপ্রিয়তা যাছাই করুন। অন্যথায় অতীতের স্বৈরশাসকদের মতো আপনাদেরও কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।
আজ ২৬ নভেম্বর (রবিবার) সর্বাত্মক ৪৮ঘন্টা অবরোধের প্রথম দিনে সকালে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
মিছিলটি নগরীর প্রবর্তক মোড় এলাকা থেকে শুরু করে গোলপাহাড় মোড় এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেছেন, জনগণের রক্তে যে আগুন লেগেছে তা নিভারণের ব্যবস্থা করুন। অবিলম্বে দাবি মেনে নিয়ে পদত্যাগ করুন। অন্যথায় দাবি আদায়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা আমরণ আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই, দিদার হোসেন, জাকির হোসেন, আব্দুল মান্নান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক খান, কোতোয়ালি থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এন মোহাম্মদ রিমন, বাকলিয়া থানা আহবায়ক মো. দুলাল, আবদুল্লাহ আল হাসান সোনামানিক, কাজী মহিউদ্দিন, আইনুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ।


