চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান বলেছেন, দেশ ও জাতি আজ চরম সঙ্কটের মধ্যে রয়েছে। বারবার গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। আধিপাত্যবাদী ষড়যন্ত্রের কারনে স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে, গনতন্ত্র, অর্থনীতি, শিক্ষাব্যবস্থা আজ ধ্বংসের পথে, মানবতা পদদলীত। গায়ের জোরে ক্ষমতা আখড়ে ধরতে আওয়ামীলীগ সরকারই এই দেশকে ধ্বংস করেছে। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করতে বিএনপিকে বাদ দিয়ে আবারো একটি পাতানো নির্বাচনের লক্ষে সরকার বিএনপির নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা, সাজা প্রদান, গ্রেফতার ও নির্যাতন-নিপিড়ন অব্যাহত রেখেছে। অনেক নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছে। প্রতিদিন শত শত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। কারাগারগুলোতে মানবিক বিপর্যয় চলছে। পেশি শক্তি ও রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আশার চেষ্টা করছে। তাই গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে কালিমা লেপন করার জন্য আবারো বিএনপির বিরুদ্ধে অগ্নি সন্ত্রাসের কাহিনী সাজানো হচ্ছে। কারণ মিডিয়া তাদের হাতে, আইনশৃঙ্খলাবাহিনী তাদের হাতে, আদালত তাদের কব্জায়। কিন্তু শত নির্যাতনের মধ্য দিয়ে কোন অপশক্তি নেতাকর্মীদের চলমান আন্দোলন থেকে বিন্দুমাত্র পিছু হঠাতে পারেনি, বরঞ্চ দৃঢ় ইস্পাত মনোবল নিয়ে তারা লুন্ঠিত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। জনগণের ভোটের অধিকার বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথই নেতাকর্মীদের একমাত্র ঠিকানা।
আজ ৩০ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকালে হরতালের সমর্থনে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
মিছিলটি নগরীর প্রবর্তক মোড় এলাকা থেকে শুরু করে গোলপাহাড় মোড় এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেছেন, এই দু:সহ অবস্থা থেকে বাংলাদেশের মানুষ মুক্তি চায়।জনগণ আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। তাদের আশার প্রতিফলন ঘটাতে গণতন্ত্রের জন্য আমরা রাজপথে লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। রক্তপিপাসু শাসকদের কবল থেকে দেশবাসীকে রক্ষার করে আমরা ঘরে ফিরবো।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি মামুনুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই, দিদার হোসেন, জাকির হোসেন, আব্দুল মান্নান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক খান, সাইফুল আলম দিপু, মো. পারভেজ, আকবর শাহ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক হাসান মাহমুদ, রাজিম উদ্দিন আকন্দ, মো. জনি, জাহাঙ্গীর আলম ,আইনুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ।


