শফিউল আলম, রাউজান: রাউজানের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ আবু জাফর সহ দুই যুবলীগ নেতা নিখোজঁ হওয়ার পর থেকে তাদের হদিস পায়নি পরিবারের সদস্যরা। যুগ যুগ ধরে নিখোজ চেযারম্যান আবু জাফর, যুবলীগ নেতা আজিম উদ্দিন মাহমুদ, আজিমের স্বজনেরা স্বজন হারানো বেদনা নিয়ে ধুকে ধুকে মরছে।
চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ মোঃ আবু জাফর গত গত ২০১০ সালের ২৭ মার্চ সকালে চট্রগ্রাম নগরীর নাসিরাবাদ এমর গণি এম ই কলেজের সামনে থেকে কে বা কাহারা গাড়ীতে তুলে নিয়ে যায়। নিখোজঁ হওয়ার পর চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ আবু জাফরের পরিবারের সদস্যরা র্যব ও পুলিশের কাছে ছুটে যায়। র্যাব ও পুলিশ চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ আবু জাফরকে ধরে নেয়নি বলে জানান। পরিবারের সদস্যরা জানান চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় খোজ করে ও চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ আবু জাফরের কোন হদিস পায়নি।
একই ভাবে চট্টগ্রাম নগরী থেকে রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দ্বা মরহুম লাল মিয়া টেন্ডলের পুত্র যুবলীগ নেতা আজিম উদ্দিন মাহমুদ বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। যুবলীগ নেতা আজিম উদ্দিন মাহমুদ নগরী থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্বজনেরা র্যাব পুলিশের কাছে গেলে র্যাব ও পুলিশ আজিম উদ্দিন মাহমুদ নামে কাউকে ধরেনি বলে জানান। পরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় খোজঁ করে আজিম উদ্দিন মাহমুদের কোন হদিস পায়নি বলে জানান তার ভাই আবদুল হামিদ।
উল্লেখ্য যুবলীগ নেতা আজিম উদ্দিন মাহমুদের আর এক ভাই আবদুল লতিফকে চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাও থানার সিএন্ড বি রাস্তার মাথা থেকে সন্ত্রাসীরা অপহরন করে নিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করে তার লাশ রাউজানের পশ্চিম গুজরা বদু মুন্সি পাড়া রাউজান নোয়াপাড়া সড়ক সেকশন ১ এর ব্রীজের নিচে ফেলে দেয়। রাউজান উপজেলার পুর্ব গুজরা ইউনিয়নের বড়ঠাকুর পাড়ার বাসিন্দ্বা যুবলীগ নেতা আজিম উদ্দিন ও চট্টগ্রাম নগরী থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তার পরিবারের সদস্যরা দুই যুগের বেশী সময় ধরে তার হদিস পায়নি। নিখোঁজ চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ আবু জাফর, যুবলীগ নেতা আজিম উদ্দিন মাহমুদ, আজিম উদ্দিন এর পরিবারের সদস্যরা যুগ যুগ ধরে স্বজন হারানো বেদনা নিয়ে ধুকে ধুকে মরছে।


