চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান এর সঙ্গে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বেলা ১১টায় চবি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ অডিটোরিয়ামে জীববিজ্ঞান অনুষদভুক্ত শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় মাননীয় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, গবেষণা বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন পরামর্শভিত্তিক ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
মাননীয় উপাচার্য সকল শিক্ষকদের শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানান। তিনি বলেন, জীববিজ্ঞান অনুষদ গবেষণায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক গবেষণা এবং একাডেমিক অগ্রগতিতে এ অনুষদের শিক্ষকদের বিশেষ অবদান রয়েছে। উপাচার্য বলেন, আমরা শুধুমাত্র শিক্ষক নয়, গবেষকও বটে। এজন্য গবেষণায় অগ্রগতি বৃদ্ধি করতে হবে। শুধুমাত্র প্রয়োজনের খাতিরে নয়, সত্যিকারার্থে যাতে সমাজ তথা রাষ্ট্র আমাদের গবেষণা থেকে উপকৃত হয়, এমন গবেষণা করতে হবে। এছাড়া ক্যাম্পাসে একাডেমিক এক্সিলেন্সি ফিরিয়ে আনতে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রয়োজন। এজন্য শিক্ষকদের ক্লাসে মনোযোগী হতে হবে। সময় মতো ক্লাস নেওয়া, পরীক্ষা নেওয়া, সময়ের মধ্যে খাতা কেটে শেষ করা এবং ফলাফল প্রকাশসহ যাবতীয় কার্যক্রমে যত্নবান হতে হবে। সেশনজট শুন্যে নিয়ে আসতে হবে। গবেষণায় পুরোদমে মনোযোগী হতে হবে এবং শিক্ষার্থীদেরও গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
উপাচার্য বলেন, নিজের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে। সব সময় নিজ বিভাগ তথা বিশ্ববিদ্যালয়কে ধারণ করতে হবে, তাহলেই সম্মিলিত সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষকদের সহযোগিতা কামনা করেন মাননীয় উপাচার্য। তিনি উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
জীববিজ্ঞান অনুষদের উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ নবনিযুক্ত মাননীয় উপাচার্যকে অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানান। পাশাপাশি এমন সভা আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ।
চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ বিভিন্ন মতামত, পরামর্শ এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। এসময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. গোলাম কিবরিয়া।


