বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় জেলেদের জালে উঠে আসা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মতো একটি বস্তু ঘিরে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। লাল ও হলুদ রঙের টর্পেডো আকৃতির বস্তুটি দেখতে পানির নিচে চলাচলকারী ড্রোন বা স্বয়ংক্রিয় সমুদ্র গবেষণা যন্ত্রের মতো। এটি আসলে কী, কোথা থেকে এসেছে এবং কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়–এসব প্রশ্ন এখন স্থানীয়দের।
বরগুনায় বঙ্গোপসাগরের মোহনায় মাছ ধরার সময় জেলেদের রোববার (৩১ মে) বস্তুটি উঠে আসে। সোমবার (১ জুন) বিভিন্ন মাধ্যমে বস্তুটির ছবি ছড়িয়ে পড়ে।
বস্তুটির ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর নানা ধরনের জল্পনা শুরু হয়েছে। কেউ এটিকে গুপ্তচর ড্রোন বলছেন, আবার কেউ গবেষণার কাজে ব্যবহৃত সামুদ্রিক রোবট বলে ধারণা করছেন।
মৎস্যজীবীরা বলেছেন, বস্তুটি কোনো গবেষণা প্রতিষ্ঠানের হারিয়ে যাওয়া সামুদ্রিক ডিভাইস হতে পারে। সমুদ্র পর্যবেক্ষণ প্রকল্পের অংশও হতে পারে। বঙ্গোপসাগরে এমন অজ্ঞাত বস্তুর উপস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা দরকার।
জেলেরা জানান, তাদের জালে আটকা পড়ে বস্তুটি। সেটি তীরে নিয়ে আসা হলে উৎসুক মানুষ ভিড় জমায়। বস্তুটির ভেতরে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সেন্সর, অ্যান্টেনা ও নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের মতো অংশ দেখা যায়; যা সাধারণ কোনো ভাসমান বস্তু নয়।
এ বিষয়ে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) শাহেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, খুবই স্পর্শকাতর মনে হচ্ছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি জনান, মনে হচ্ছে–এটি রিমোট কন্ট্রোলচালিত কোনো ছোট বোট (নৌকা) হতে পারে। ভালোভাবে পর্যালোচনা করার প্রক্রিয়া চলছে।


