চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানার ১১নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডের আই ব্লক, ৪নং লেইনের পেশকার বাড়িতে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমীন।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টায় সংঘটিত এ অগ্নিকাণ্ডে ৮টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে ঘরগুলোতে থাকা প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, মূল্যবান কাগজপত্র এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ভস্মীভূত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপনের মুখোমুখি হয়েছেন পাঁচটি পরিবার। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা হলেন— নুর ইসলাম (৬৫), আজিজ (৬৫), আলমগীর (৬৫), রফিক (৫৫) ও নয়ন (৪৫)।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে অধ্যক্ষ নুরুল আমীন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, “মুহূর্তের মধ্যে একটি পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই ও জীবন-জীবিকার প্রয়োজনীয় সম্পদ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর এ দুর্দিনে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও তাদের পাশে দাঁড়াতে সাধ্যানুযায়ী সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।”
তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দ্রুত পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ, মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য ও হালিশহর থানার আমীর ফখরে জাহান সিরাজী সবুজ, হালিশহর থানা সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক, ডবলমুরিং থানা এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ইমরানুল হক, এডভোকেট শেখ জোবায়র মাহমুদ, মাওলানা মুহাম্মদ সোলায়মান, রুবেল হায়দারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য দোয়া করেন এবং তাদের পুনর্বাসনে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।


