‘সি’ গ্রুপে শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে শক্তির নিরিখে হাইতি ও স্কটল্যান্ডের চয়ে ব্রাজিল ও মরক্কোই এগিয়ে। সে ক্ষেত্রে এ দুই দলের জন্যই বেশি গোল করাটা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সেই চ্যালেঞ্জ নিতে পারেনি ব্রাজিলকে ১-১ গোলে আটকে দেওয়া মরক্কো।
ম্যাচে ৭১ সেকেন্ডের মাথায় করা গোলকে পুঁজি করে শেষ পর্যন্ত স্কটিশদের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় পেয়েছে আফ্রিকার দলটি। এবার বিশ্বকাপে এটাই প্রথম জয় মরক্কোর। প্রায় ৬০ শতাংশ বল দখলে রেখে গোলের জন্য ১২ শট নিয়ে দুটি লক্ষ্যে রাখতে পারে মরক্কো। স্কটল্যান্ডের ছয় শটের একটিও লক্ষ্যে ছিল না।
ব্রাজিলের সঙ্গে ১-১ ড্রয়ে আসর শুরুর পর, এই জয়ে মরক্কোর পয়েন্ট হলো ৪। আর প্রথম ম্যাচে হাইতিকে হারানো স্কটল্যান্ড সমান দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে আছে দ্বিতীয় স্থানে।
ব্রাজিলের বিপক্ষে যে দুইজনের দারুণ বোঝাপড়ায় প্রথমে গোল পেয়েছিল মরক্কো, এখানেও সেই দিয়াস-সাইবারির জুটির নৈপুণ্যে ৭১ সেকেন্ডেই এগিয়ে যায় দলটি।
মাঝমাঠ থেকে আচমকা হাওয়ায় ভাসিয়ে দারুণ এক থ্রু বল বাড়ান ব্রাহিম দিয়াস, এবং চোখের পলকে রক্ষণে ভেঙে বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন সাইবারি। দুই পাশে তাকিয়ে আর কাউকে দেখতে না পেয়ে, নিজেই জোরাল শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন পিএসভি আইন্দহোভেনের এই ফরোয়ার্ড।
বিশ্বকাপ অভিষেকে ব্রাজিলের জালে বল পাঠানো ২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পেলেন জালের দেখা। জাতীয় দলের হয়ে তার গোল হলো ১১টি।
এমন দারুণ শুরু পেয়েও, প্রথমার্ধে আর তেমন উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেনি মরক্কো। অধিকাংশ সময় পজেশন রেখে গোলের জন্য আরও চারটি শট নিয়ে একটিও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি তারা।
দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটে সাইবারির আরেকটি প্রচেষ্টা একজনের গায়ে লেগে ক্রসবারে বাধা পায়। পরের মিনিটে তরুণ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বিলাল এল কানুসের হেড ঠেকিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি স্কটিশ গোলরক্ষক।
প্রথমার্ধের শেষ পাঁচ মিনিটের মতো এই অর্ধেও শেষ দিকে আক্রমণে একটু জোর দেয় স্কটল্যান্ড। তাতে প্রতিপক্ষের রক্ষণে কিছুটা চাপ দিতে পারলেও, মরক্কান গোলরক্ষকের পরীক্ষা নেওয়ার মতো কিছুই করতে পারেনি তারা।


