৪০ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় মোহাম্মদ সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। সেলিমের বিরুদ্ধে চারটি মামলা চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
সেলিম নগরের আকবর শাহ থানার কৈবল্যধাম হাউজিং এস্টেটের বাসিন্দা।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, পাওনা অর্থ ফেরত দিতে ২০২২ সালের ৩০ অক্টোবর ব্যবসায়ী সেলিম একটি ১০ লাখ টাকার চেক দেন।
চেকটি নিয়ে ২২ ডিসেম্বর পাওনাদার একে শওকত আলী নগরের কোতোয়ালী এবি ব্যাংক লিমিটেডের স্টেশন রোড শাখায় যান। কিন্ত ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়। তারপর পাওনা অর্থ ফেরত দিতে ব্যবসায়ীকে আইনি নোটিশ দেন শওকত। তারপরও অর্থ ফেরত দেননি তিনি। তারপর ১০ লাখ টাকা আদায়ে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চেক প্রতারণার মামলা করেন। সেই মামলায় আসামি সেলিমকে আদালতে হাজির হতে সমন দিয়েছিলেন।
অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সেলিমকে ফোন করলেও ফোন ধরেননি।
বাদীর আইনজীবী হাবিব উল্লাহ বায়েজিদ বলেন, পাওনাদারদের অর্থ নগদে ফেরত না দিয়ে চেক দেন মোহাম্মদ সেলিম। কিন্ত ব্যাংক হিসাবে অর্থ না থাকায় চেক ডিজঅনার হয়। তারপর তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। সেই মামলায় সেলিমের বিরুদ্ধে সমন জারি করলেও আদালতে উপস্থিত হননি। গত ২৪ এপ্রিল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল দে এর আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করেন।
শওকত আলীর পৃথক ১০ লাখ টাকা আদায়ে সেলিমের বিরুদ্ধে চেক প্রতারণার আরেকটি মামলা করেন আদালতে। এ ছাড়া ফেনী সদরের ধনিয়া পাড়ার আতাউল হক মিয়া বাড়ির বাসিন্দা মো. আশরাফুল হকও ১০ লাখ টাকা আদায়ে সেলিমের বিরুদ্ধে একটি চেক প্রতারণা মামলা এবং নগরের সিঅ্যান্ডবি কলোনি এলাকার বাসিন্দা শেখ মুজিবুর রহমান বাদী হয়ে ১০ লাখ টাকা আদায়ে একটি চেক প্রতারণা মামলা করেন তার বিরুদ্ধে।


