শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার ২নং ডাবুয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সুড়ঙ্গা এলাকায় প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা ফনিন্দ্র লাল বড়ুয়া ও তার প্রতিবেশী প্রয়াত মিলন বড়ুয়া সরকারী খাস টিলা ভুমিতে পৃথক পৃথক ভারে রাবার বাগান ও ফলজ গাছের বাগান গড়ে তোলে। মুক্তিযোদ্ধা ফনিন্দ্র লাল বড়ুয়া, মিলন বড়ুয়ার পুর্ব পুরষের দখলে থাকা সরকারী খাস জমির মধ্যে এক একর ৭০ শতক টিলা ভুমিতে প্রয়াত মিলন বড়ুয়া রাবার বাগান গড়ে তোলে। অবশ্ষ্টি এক একর ৭০ শতক জমিতে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা ফনিন্দ্র লাল বড়ুয়া তার ভাই মধু বড়ুয়া ফলজ গাছ আম, জাম কাঠাল গাছের বাগান গড়ে তোলে । হঠাৎ গত ৪ জুলাই মঙ্গলবার থেকে প্রয়াত মিলন বড়ুয়ার কন্যা সুজাতা বড়ুয়া, ভাই ট্রিপন বড়ুয়া মুক্তিযোদ্বা ফনিন্দ্র লাল বড়ুয়ার গড়ে তোলা ফলজ গাছের বাগান থেকে বড় বড় আম, কাঠাল গাছ ডাবুয়ার হাসান খীল এলাকার আবদুল মাবুদের কাছে বিক্রয় করে। আবদুল মাবুদ তার লোকজন দিয়ে ৫০টি ফলজ গাছ কেটে ফেলে । মুক্তিযোদ্ধা ফনিন্দ্র লাল বড়ুয়ার সন্তান সন্তোষ বড়ুয়া ভাই মধু বড়ুয়া বলেন, আমাদের ৫০টি আম গাছ, কাঠাল গাছ সুজাতা বড়ুয়া ও ট্রিপন বড়য়া লোকজন দিয়ে কেটে ফেলে। আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিয়ে আমাদের বাধা অমান্য করে আমাদের বাগানের ফলজ গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে । এ ব্যাপারে প্রয়াত মিলন বড়ুয়ার ভাই ট্রিপন বড়ুয়াকে ফোন করে জানতে চাইলে, দিপন বড়ুয়া গাছ কাটার কথা স্বীকার করে বলেন ঐ টিলা আমাদের আমাদের টিলা ও টিলার গাছ জোরপুর্বক দখল করে রাখেন মুক্তিযোদ্বা ফনিন্দ্র লাল বড়ুয়ার স্বজনেরা । আমাদের টিলায় রোপন করা ফলজ গাছ আমরা কাটছি । এ ব্যাপারে ডাবুয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার আসাদ হোসেনের কাছে ফোন করে জানতে চাইলে, মেম্বার আসাদ হোসেন গাছ কাটার বিষয়ে কিছুই জানেনা বলে জানান মেম্বার আসাদ হোসেন । এ ব্যাপারে রাউজান চিকদাইর পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ এস আই আবদুল কাদেরকে ফোন করে জানতে চাইলে, এস আই আবদুল কাদের বলেন, অভিযোগ পেয়ে আমি পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটা বন্দ্ব করে দিয়েছি ।
মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বৃক্ষের বাগানের ফলজ গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ
সংবাদটি শেয়ার করুন
একটি মন্তব্য করুন
একটি মন্তব্য করুন


