বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে গণনা কার্যক্রম শুরু হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ভোট চললেও দিনভর একাধিক কেন্দ্রে উত্তেজনার ঘটনা ঘটে।
নির্বাচন চলাকালে আনোয়ারা উপজেলায় মোমবাতি প্রতীকের এক প্রার্থীর এজেন্টকে মারধর করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ ওঠে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টদের বিরুদ্ধে। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের তিন সমর্থককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির কর্মীদের বিরুদ্ধে।
এদিকে সাতকানিয়া উপজেলায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার আগেই রেজাল্ট শিটে পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে একটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারকে প্রত্যাহার করা হয়। একই ধরনের ঘটনায় ফটিকছড়ি উপজেলার পূর্ব সুয়াবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নির্ধারিত সময়ের আগেই স্বাক্ষর নেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এ সময় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
অন্যদিকে নগরের আকবর শাহ থানাধীন একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে যাওয়ার সময় ছুরিকাঘাতে মো. নুরুল আফসার (৪৫) নামের এক ভোটার আহত হন। এছাড়া বোয়ালখালী উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্র থেকে আবু বক্কর (২৫) নামের এক যুবককে আটক করে সেনাবাহিনী।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিচ্ছিন্ন এসব ঘটনা ছাড়া সার্বিকভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তামান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


