মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ (বৃহম্পতিবার) প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জিইসি মোড়স্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার-এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সহযোগী ডিন, সহকারী ডিন, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। আরও পুষ্পস্তবক অর্পণ করে প্রিমিয়ার ইউনিবভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি ও প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি ইকোনোমিস্ট ফোরাম।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার বলেন, ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের পরপর বাংলা ভাষা ষড়যন্ত্র কবলিত হলে শুরু হয় ভাষা আন্দোলন।
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তা চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। ফলে ১৯৫৬ সালে উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ভাষাও সাংবিধানিক স্বীকৃতি অর্জন করে। এই ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম সংঘটিত হয়। এরপর ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। তিরিশ লক্ষ বাঙালি শহীদ হয় এবং দুই লক্ষ বাঙালি মা-বোন-জায়া সম্ভ্রম বিসর্জন দেয় এই মুক্তিযুদ্ধে। তাঁদের এই আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
তিনি তাঁর বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের পাশাপাশি ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের শহীদদেরও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির মহান স্বাধীনতা দিবসকে বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন উল্লেখ করে বলেন, স্বাধীনতা অর্জন হলেও আমরা এখনও স্বাধীনতার স্বাদ প্রকৃতভাবে পাইনি। সেই অধিকার আমাদের অর্জন করতে হবে। তিনি বলেন, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেম, মানবিকতা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠতে হবে এবং প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিকে এগিয়ে নিতে হবে।
পুষ্পস্তবক অর্পণকালে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রফেসর অমল ভূষণ নাগ, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সহযোগী ডিন প্রফেসর এম. মঈনুল হক, আইন অনুষদের সহকারী ডিন জনাব তানজিনা আলম চৌধুরী, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সহকারী ডিন জনাব ফারজানা ইয়াসমিন চৌধুরী, প্রক্টর জনাব মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জনাব শেখ মুহম্মদ ইব্রাহিম, ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ড. আবদুর রহিম, ইইই বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব টুটন চন্দ্র মল্লিক, গণিত বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. হারাধন কুমার মহাজন, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব অনুপ কুমার বিশ্বাস, স্থাপত্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব হোসেন মুরাদ, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব সৈয়দ জসিম উদ্দিন, পাবলিক হেলথ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. জাহেদুল ইসলাম, অর্থনীতি বিভাগের কো-অর্ডিনেটর জনাব বদরুল হাসান আউয়াল, সমাজতত্ত্ব ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের কো-অর্ডিনেটর জনাব আবদুল্লাহ আল মোজাহিদ, মার্কেটিং ডিসিপ্লিনের কো-অর্ডিনেটর জনাব সুলতানা রাজিয়া চৌধুরী, ম্যানেজমেন্ট ডিসিপ্লিনের কো-অর্ডিনেটর জনাব তাসনিম সুলতানা, ফিন্যান্স ডিসিপ্লিনের কো-অর্ডিনেটর জনাব রাজীব দত্ত, অ্যাকাউন্টিং ডিসিপ্লিনের কো-অর্ডিনেটর ড. আহসান উদ্দিন, এইচআরএম ডিসিপ্লিনের কো-অর্ডিনেটর জনাব রহিমা বেগম ও লাইব্রেরিয়ান জনাব কাউসার আলমসহ প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যবৃন্দ।


