শফিউল আলম, রাউজান: রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের জানিপাথর বাজারের ব্যবসায়ী আবদুল মন্নান সওদাগর (৩৮) কে গাছের খুটি দিয়ে পিটিয়ে মারাত্বক ভাবে আহত করে আবদুল মন্নান সওদাগরের জেঠাত ভাই শাহাহাজাহন। গত ২৫ জুন বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে দিবালোকে এঘটনা সংগঠিত হয়। জেঠাত ভাই শাহাজাহানের গাছের খুটির আঘাতে আবদুল মন্নান সওদাগর মারাত্বক ভাবে আহত হয়। আহতবস্থায় আবদুল মন্নান সওদাগরকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরে চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
২৮ জুন (রবিবার) দিবাগত রাত ২টার সময়ে হাসপাতালে আবদুল মন্নান সওদাগর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান আবদুল মন্নান সওদগরের বাড়ীতে একটি শিশু গাছ বাতাসে পড়ে যায়। বাতাসে পড়ে যাওয়া গাছটি শাহাজাহানের কাছ থেকে লোকমান সওদাগর ক্রয় করে। বাতাসে পড়ে যাওয়া গাছের মালিকানা নিয়ে শাহাজাহানের সাথে আবদুল মন্নান সওদাগরের সাথে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে গত ২৮ জুন বৃহস্পতিবার প্রকাশ্য দিবালোকে শাহাজাহান আবদুল মন্নান সওদাগরকে গাছের খুটি দিয়ে পিঠিয়ে মারাত্বক ভাবে আহত করে। নিহত আবদুল মন্নান সওদাগর হলদিয়া ইউনিয়নের জানিপাথর এলাকার কবির আহম্মদের পুত্র। আবদুল মন্নান সওদগরের হামলাকারী শাহাজাহান একই এলাকার ছালেহ আহম্মদের পুত্র। এ বিষয়ে রাউজান থানার ওসি সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত আবদুল মান্ন্নান সওদগরের পরিবার থেকে অভিযোগ পেলে মামলা রুজু করে হত্যকান্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্বে আইনগতঃ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। গত ২০০৪ সালের ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে রাউজানে ৩০টি হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়। তার মধ্যে ২০টি রাজনৈতিক। হলদিয়ায় আবদুল মন্নান সওদাগর সহ ৩ টি হত্য্কাান্ড সংগঠিত হয়।


