শফিউল আলম, রাউজান: চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর সর্তা, হচ্ছার ঘাট, এয়াসিন নগর, জানিপাথর, ডাবুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম ডাবুয়া পূর্ব ডাবুয়া, কেউকদাইর, রোয়াইঙ্গা বিল, হাসান খীল, সুড়ঙ্গা, চিকদাইর ইউনিয়নের পাঠান পাড়া, সন্দ্বীপ পাড়া, দক্ষিন সর্তা, গহিরা ইউনিয়নের দলই নগর, কোতোয়ালী ঘোনা, বিনাজুরী ইউনিয়নের ইদিলপুর, পশ্চিম বিনাজুরী, রাউজান পৌরসভার পশ্চিম সুলতানপুর, পুর্ব গহিরা, সুলতানপুর কাজী পাড়া, কুন্ডেশ^রী, সুলতানরপুর ছিটিয়া পাড়া, শরীফ পাড়া, ঢেউয়া পাড়া, পশ্চিম রাউজান, রাউজান ইউনিয়নের পুব রাউজান, কেউটিয়া খলিলাবাদ, শমশের নগর, কদলপুর ইউনিয়নের কালকাতর পাড়া, শমশের পাড়া, ভোমর পাড়া দক্ষিন জয়নগর, পশ্চিম কদলপুর, পাহাড়তলী ইউনিয়নের উনসত্তর পাড়া, বহলপুর, বাগোয়ান ইউনিয়নের পাচঁখাইন, নোয়াপাড়া ইউনিয়নের গরিবুল্ল্রাহ পাড়া, কচুখাইন, দুল্লা পাড়া এলাকায় ফসলী জমিতে বাঙ্গী ও তরমুজ ক্ষেতের চাষাবাদ করেছে কৃষকরা। বাঙ্গী ও তরমুজের ফলণ ভাল হয়েছে।

প্রতিদিন সকাল থেকে সারাদিন বাঙ্গী ও তরমুজ ক্ষেত থেকে কৃষকের কাছ থেকে এলাকার লোকজন ও মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বাঙ্গী ও তরমুজ ক্রয় করে নিয়ে রাউজানের বিভিন্ন এলাকার হাট বাজারে বিক্রয় করছেন। এছাড়া ও মৌসুমী ফল ব্যবসায়ীরা কৃষকের কাছ থেকে বাঙ্গী ও তরমুজ ক্রয় করে চট্টগ্রাম নগরী ও ফটিকছড়ি, হাটহাজারীর হাট বাজারে বিক্রয় করছেন। মৌসুমী ফল বাঙ্গী ও তরমুজ বিক্রয়ের বিশাল হাট বসেছে চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মহাসড়কের পাশে রাউজান পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের শরতের দোকান এলাকায়। সড়কের দু পাশে কৃষক ও মৌসুমী ফল ব্যবসায়ীরা বাঙ্গী ও তরমুজ এনে স্তুপ করে রেখেছে। শরতের দোকান এলাকায় বাঙ্গী ও তরমুজের হাট থেকে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সময়ে এলাকার লোকজন ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ব্যবসায়ীরা বাঙ্গী ও তরমুজ ক্রয় করতে ভীড় জমায়। এলাকার বাসিন্দ্বারা নিজ পরিবারের জন্য ছাড়া ও মেয়ের শ্বশুর বাড়ীতে দেওয়ার জন্য বাঙ্গী ও তরমুজ ক্রয় করে সিএনজি অটো রিক্সা, টমটম ভর্তি করে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রতিটি তরমুজ ছোট সাইজের ১শত টাকা মাঝারী সাইজের ১শত ৫০ টাকা থেকে ২শত টাকা, বড়সাইজের ৩শত টাকা থেকে ৪শত টাকা করে বিক্রয় করছে। প্রতিটি বাঙ্গী ছোট সাইজের ৭০ টাকা থেকে ১শত টাকা, মাঝারী সাইজের ১শত টাকা থেকে ২শত টাকা, বড়সাইজের ২শত টাকা থেকে ২শত ৫০ টাকা করে বিক্রয় করছেন। শরতের দোকান এলাকার বাঙ্গী ও তরমুজ ব্যবসায়ী আবু তাহের বলেন, কৃষকের কাছ থেকে বাঙ্গী ও তরমুজ ক্রয় করে হাটে বিক্রয় করছি। প্রতিদিন ৫০ হাজার টাকার বাঙ্গী তরমুজ বিক্রয় করি।
প্রচন্ড গরমে তৃষ্ণা নিবারনের জন্য তরমুজ ও বাঙ্গী ফল মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কৃষক মফজল বলেন, এবার এক একর জমিতে বাঙ্গী ক্ষেত, ৪০ শতক জমিতে তরমুজের ক্ষেত করেছে। তরমুজ ও বাঙ্গী ক্ষেতের চাষাবাদে খরচ হয়েছে ১লাখ টাকা। এ পর্যন্ত তরমুজ ও বাঙ্গী বিক্রয় করেছি ২লাখ টাকা। আরো ১লাখ টাকার বাঙ্গী ও তরমুজ বিক্রয় করতে পারবে বলে আশা করছেন কৃষক মফজল। রাউজান উপজেলা কৃষি অফিসার মাসুম কবির বলেন, সহকারী রাউজানে এ বছর ১৮ হ্ক্টের জমিতে বাঙ্গি ও ১২ হেক্টর জমিতে তরমুজ ক্ষেতের চাষাবাদ হয়েছে। তরমুজ ও বাঙ্গির ফলন ভাল হয়েছে।


