সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও, কক্সবাজার।
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে নবগঠিত পরিবহন কমিটির সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।কক্সবাজার জেলা ট্রাক- মিনি ট্রাক মালিক ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ গত ১১ এপ্রিল ঈদগাঁও শাখার পূর্ব কমিটি বিলুপ্ত করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন। নবগঠিত কমিটির মালিক পক্ষের অন্যতম দুই সদস্য হচ্ছেন ঈদগাঁও ইউপি সদস্য বাবু পাল ভেক্কা ও মফিজুর রহমান।
এদিন গরু বাজারস্থ অস্থায়ী অফিসে উক্ত কমিটি গঠন কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জেলার তিন সংগঠনের আহ্বায়ক ও ট্রাক মালিক সমিতির সেক্রেটারি এস্তাফিজুর রহমান, ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক ও আন্তঃ জেলা ট্রাক শ্রমিক ফেডারেশন সভাপতি ফরিদুল আলম ড্রাইভার, ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও আন্তঃ জেলা ট্রাক শ্রমিক ফেডারেশনের সেক্রেটারি জহির উল্লাহ এবং আরাকান সড়ক ট্রাক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রতিনিধি বাবুল ও টুটুল। এরপর থেকে নতুন আহবায়ক কমিটি জেলা কমিটির নির্দেশনা মোতাবেক রুটিন কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল।
ঘোষিত আহবায়ক কমিটির সদস্য মুফিজুর রহমান অভিযোগ করেন, উক্ত কমিটি গঠনের পর থেকে বিলুপ্ত কমিটির কিছু সদস্য এবং তাদের কিছু অনুসারি ক্ষুদ্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার শুরু করে। বিশেষ করে জামায়ত ইসলাম ও তার নাম ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচার শুরু করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে । কতিথ শ্রমিক নেতা দাবিদার শফিউল আলম তাজ ও হেলাল উদ্দিন নামের বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত এক ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ অপপ্রচারে নেতৃত্ব দেন। অথচ এর মধ্যে প্রথম জনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত গরু বাজার এলাকায় শ্রমিক সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি এবং দ্বিতীয় জনের বিরুদ্ধে মানবপাচারসহ নানা অভিযোগ ইতিমধ্যে বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এখন তারা নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে জামায়ত ও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে প্রতিনিয়ত। অথচ প্রকৃত সত্য হচ্ছে কমিটি গঠনের দিন জেলা নেতা এস্তাফিজুর রহমান তাকে মোবাইলে ডেকে নিয়ে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করে অফিসিয়াল কাগজপত্র বুঝিয়ে দেন। যা এর আগে তিনি জানতেন না। কমিটি গঠনকালীন কাগজপত্র হাতে নেতাদের উপস্থিতিতিসহ একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে তার এবং দলের নাম জড়িয়ে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। তার দল এবং তিনি সবসময় চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। জামায়তে কোন চাঁদাবাজের স্থান নেই। গরু বাজারসহ দেশ জুড়ে কে বা কারা চাঁদাবাজিতে জড়িত তা স্থানীয় জনগণ জানে। সুতরাং এহেন অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনের নিকট প্রকৃত চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।


