প্রথমার্ধে এক চেটিয়া আধিপত্য দেখায় ইন্টার মিলাম। ম্যাচের বয়স ১০ মিনিট পেরোতেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় নেরাজ্জুরিরা। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার তুমুল চেষ্টা চালায় এসি মিলান। যদিও সফল হয়নি। বুধবার রাতে সান সিরোতে চ্যাম্পিয়নস লীগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগের ম্যাচে ২-০ গোলের জয়ে ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখলো ইন্টার।
মিলান ডার্বিতে ম্যাচের ৮ম মিনিটেই এগিয়ে যায় ইন্টার মিলান। সতীর্থের কর্নারে ছয় গজ বক্সের বাইরে বাঁ পায়ের চমৎকার ভলিতে প্রথম গোলটি করেন অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড জেকো। দ্বিতীয় বেশি বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে গোল করলেন তিনি (৩৭ বছর ৫৪ দিন)। ২০১০-১১ মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে শালকের বিপক্ষে ৩৭ বছর ১৪৮ দিন বয়সে গোল করেছিলেন রায়ান গিগস।
১১তম মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি পায় ইন্টার মিলান। বাঁ দিক থেকে ফেদেরিকো দিমারকো পাস দেন বক্সের বাইরে। প্রথম স্পর্শে বল ধরে ভেতরে ঢুকে জোরাল শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও আর্সেনালের সাবেক মিডফিল্ডার হেনরিখ মিখিতারিয়ান।
ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় পাঁচবারের দেখায় এই প্রথম মিলানকে হারাতে পারল ইন্টার।
আগের চার দেখায় দুবার জিতেছিল মিলান, অন্য দুটি ড্র হয়েছিল।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালের ম্যাচে প্রথম ১১ মিনিটের মধ্যে দুই গোলের লিড নেওয়া চতুর্থ দল ইন্টার। এর আগে ১৯৯৯ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ইউভেন্তুস, ২০০৯ সালে আর্সেনালর বিপক্ষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং ২০২২ সালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটি এই কীর্তি গড়েছিল।
আগামী ১৬ই মে দিবাগত রাতে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হবে ইন্টার মিলান ও এসি মিলান।


