দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। দেশবাসীর কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, আপনাদের সহযোগিতা থাকলে আমাদের নির্বাচিত সরকার আপনাদের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনের কাজে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে কাজ চালিয়ে যাবে।
বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের। একইসঙ্গে তিনি চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে যারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে শহীদ হয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজকের এই গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং দলমত নির্বিশেষে দেশের সব মানুষের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
এ সময় যমুনা প্রাঙ্গণে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতারা, ওলামা-মাশায়েখ এবং সাধারণ মানুষের ঢল নামে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে পুরো এলাকা এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়।


