সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, দলের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় তৃণমূল ও মহিলা বিভাগের মতামতের ভিত্তিতেই প্রার্থীদের নির্বাচন করা হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের নারী প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করার পদ্ধতি অন্যান্য দলের চেয়ে ভিন্ন। দল যাদের যোগ্য মনে করে, তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হয়। কোনো আবেদন নেওয়া হয় না। তৃণমূল ও মহিলা বিভাগের মতামতের ভিত্তিতে প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জোটগত সমঝোতার ভিত্তিতে প্রার্থীদের মধ্যে অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে। আমরা জাগপাকে একটি আসন দিয়েছি, তারা কোনো নির্দিষ্ট আসন দাবি করেনি। এছাড়া শহীদ পরিবারের প্রতি সম্মান জানিয়ে জুলাই পরিবারের একজনকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। জামায়াত তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে।’
জামায়াত নেতা বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের লক্ষ্য হচ্ছে একটি দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী বিরোধী শক্তি হিসেবে সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখা। মনোনীত নারীরা সংসদে দেশের নারীদের পক্ষে কথা বলবেন এবং তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ১১ দলীয় ঐক্যের মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত তালিকায় রয়েছেন— নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, শহীদ জাবির ইব্রাহীমের মা রোকেয়া বেগম, জাতীয় নাগরিক পার্টির মনিরা শারমিন, মাহমুদা আলম মিতু, জাগপার তাসমিয়া প্রধান এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাহবুবা হাকিম।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।


