By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
এক্সেপ্ট

সোমবার | বর্ষাকাল | বিকাল ৪:৪৯

নিউজ চট্টগ্রাম
সার্চ নিউজ / হেডলাইন
Facebook Twitter Youtube Instagram Tiktok
  • আমাদের চট্টগ্রাম
  • জেলা উপজেলা
    • বান্দরবান
    • কক্সবাজার
    • রাঙ্গামাটি
    • খাগড়াছড়ি
    • শহর থেকে দূরে
    • অন্যান্য
  • বাংলাদেশ
    • জাতীয়
    • আইন আদালত
    • রাজনীতি
  • বিদেশ
    • প্রবাস ও প্রবাসী
  • প্রযুক্তি
    • সামাজিক মাধ্যম
  • বিনোদন
  • খেলা
  • শিক্ষা
  • সাত রং
    • রকমারি
    • আলপনা
    • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
    • পর্যটন
    • ফ্যান ক্লাব
    • আলোছায়ার কবিতা
  • আরও
    • নিউজচিটাগাং স্পেশাল
    • প্রেস রিলিজ
    • কৃষি
    • গণ মাধ্যম
    • ধর্ম ও জীবন
    • পাঠক প্রিয়
    • ব্যক্তিত্ত্ব
    • ভালো খবর
  • বিশেষ কর্ণার
    • সম্পাদকীয়
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মুক্ত জানালা-লেখা
    • প্রাণ-প্রকৃতি
    • ভিডিও
এখন পড়ছেনঃ আট কেজি সোনা বৈধ: খালাস পেলেন ‘গোল্ডেন’ মনির
শেয়ার
নিউজ চট্টগ্রামনিউজ চট্টগ্রাম
এএ
  • রাজনীতি
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • বিনোদন
  • প্রযুক্তি
  • প্রযুক্তি
Search
  • Home
    • Home 1
  • Home
    • Home 1
  • Categories
    • প্রযুক্তি
    • বিনোদন
    • রাজনীতি
    • স্বাস্থ‍্য
  • Categories
    • প্রযুক্তি
    • বিনোদন
    • রাজনীতি
    • স্বাস্থ‍্য
  • Bookmarks
  • Bookmarks
  • More Foxiz
    • Sitemap
  • More Foxiz
    • Sitemap
আপনার কি একাউন্ট আছে? সাইন ইন
আমাদের ফলো করুন
  • Advertise
  • Advertise
© 2022 Foxiz News Network. Ruby Design Company. All Rights Reserved.
নিউজ চট্টগ্রাম > লিড ৩ > আট কেজি সোনা বৈধ: খালাস পেলেন ‘গোল্ডেন’ মনির
লিড ৩

আট কেজি সোনা বৈধ: খালাস পেলেন ‘গোল্ডেন’ মনির

নিউজ চট্টগ্রাম
সর্বশেষ আপডেটঃ ২০২৪/০৫/০৭ at ১:১৭ অপরাহ্ণ
নিউজ চট্টগ্রাম
শেয়ার
সময় লাগবে 8 মিনিট
শেয়ার

অস্ত্র আইনের মামলার পর এবার বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলা থেকে খালাস পেলেন মনির হোসেন ওরফে ‘গোল্ডেন’ মনির। ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তেহসিন ইফতেখার গত রোববার এ রায় দেন।

সোনা ও টাকা উদ্ধারের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলাটি করা হয়েছিল। রায়ের তথ্য বলছে, বাড্ডায় মনিরের বাসা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে র‍্যাবের জব্দ করা ১ কোটি ৯ লাখ টাকা, আট কেজি সোনা ও বৈদেশিক মুদ্রা বৈধ উপার্জনের মাধ্যমে অর্জিত। রাষ্ট্রপক্ষ মনিরের বিরুদ্ধে আনা বিশেষ ক্ষমতা আইনের অভিযোগ প্রমাণে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

রায়ের বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী আশরাফুল করিম বলেন, মনির আদালতের কাছ থেকে ন্যায়বিচার পেয়েছেন।

অবশ্য রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মাহবুবুর রহমান দাবি করেন, রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, মামলাটিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তা আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি মনিরের সম্পদের মালিকানা যাচাইয়ের পর আদালতে প্রতিবেদন দিয়ে জানিয়েছেন, মনিরের বাসা ও প্রতিষ্ঠান থেকে র‍্যাবের জব্দ করা সম্পদ বৈধ।

রাজধানীর মেরুল বাড্ডার বাসায় ২০২০ সালের ২০ নভেম্বর অভিযান চালিয়ে মনিরকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। সে সময় একটি বিদেশি পিস্তল, ৪ লিটার বিদেশি মদ, ৩২টি নকল সিল, ৮ লাখ টাকার বেশি মূল্যমানের বৈদেশিক মুদ্রা, বিপুল স্বর্ণালংকার ও ১ কোটি ৯ লাখ টাকা জব্দ করার কথা জানানো হয়। এ ঘটনায় অস্ত্র, মাদক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে বাড্ডা থানায় তিনটি মামলা করা হয়েছিল র‍্যাবের পক্ষ থেকে। পরে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে আরেকটি মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মনিরের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলা করেছিল।

র‍্যাবের তিন মামলার মধ্যে অস্ত্র মামলায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি মনিরকে খালাস দেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের তৎকালীন বিচারক মো. আসাদুজ্জামান। গত রোববার খালাস পেয়েছেন বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায়। র‍্যাবের করা মাদক মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। সিআইডির মামলা তদন্তাধীন, দুদকের মামলাটি বিচারাধীন।
সোনা উদ্ধারের মামলায় খালাস

সোনা ও টাকা উদ্ধারের পর র‍্যাবের করা মামলার রায়ে আদালত দুজন স্থানীয় সাক্ষী নিরাপত্তাকর্মী মোবারক হোসেন এবং ওষুধের দোকানদার এমাদ উদ্দিনের জবানবন্দির তথ্য তুলে ধরেছেন। সাক্ষী এমাদ উদ্দিন আদালতকে বলেছিলেন, ২০২০ সালের ১৯ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯টা বা ১০টার দিকে র‍্যাবের কয়েকটি গাড়ি আসে। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাঁকে মনিরের বাসায় যেতে বলেন র‍্যাব সদস্যরা। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে মনিরের বাসায় বসা অবস্থায় সাদা কাগজে তাঁর সই নেন র‍্যাব সদস্যরা। তাঁকে ১১ ঘণ্টা মনিরের বাসায় বসিয়ে রাখা হয়েছিল।

মোবারকও আদালতকে বলেন, তাঁর কাছ থেকে সাদা কাগজে সই নেওয়া হয়েছিল।
মামলাটির আরেক সাক্ষী আবদুল হামিদ ছিলেন মনিরের গাড়ি বিক্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক। তিনি আদালতকে বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে র‍্যাব সদস্যরা বিক্রয়কেন্দ্রে যান। পরে সেখান থেকে দুটি গাড়ি (নিশান কার) নিয়ে যান তাঁরা। জোর করে সাদা কাগজে তাঁর একটি সইও নেওয়া হয়।

বিক্রয়কেন্দ্রের আরেক কর্মী আবুল কালামও আদালতকে বলেন, তাঁকেও সাদা কাগজে সই করতে বলা হয়।

ওষুধের দোকানিসহ পাঁচজন সাক্ষী রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগকে সমর্থন করেননি বলে উল্লেখ করে রায়ে আদালত বলেন, অথচ এই পাঁচ সাক্ষীকে রাষ্ট্রপক্ষ বৈরী সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করেনি। উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত তুলে ধরে আদালত রায়ে বলেন, ‘সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশি করাকে কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং তাঁদের অবশ্যই পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত পুরো তল্লাশির প্রত্যক্ষদর্শী হতে হবে। প্রতিটি জিনিস কোথা থেকে পাওয়া গেল, তা স্পষ্টভাবে দেখতে সক্ষম হতে হবে।’

রায়ে ফৌজদারি কার্যবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা উল্লেখ করে আদালত বলেন, আইনের বিধানগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ ছাড়া কোনো তল্লাশি বা জব্দ করা বেআইনি বলে গণ্য হবে। ওষুধের দোকানদারসহ পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য থেকে প্রমাণিত হয় যে তাঁরা র‍্যাবের তল্লাশির প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী না। কোথা থেকে আলামত জব্দ করা হয়েছে, তা তাঁরা দেখেননি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার (তৎকালীন ডিবির পরিদর্শক) আবদুল মালেক সাক্ষী হিসেবে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে বলেন, মামলার এজাহারে ঘটনার সময় উল্লেখ করা হয়েছে ২০২০ সালের ২১ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট। আর বাড্ডা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে পরদিন (২০২০ সালের ২২ নভেম্বর) সকাল ৬টায়। অভিযান শেষে এবং এজাহার দায়েরের মধ্যবর্তী সময়ে আসামি মনির কোথায় অবস্থান করেন, সেটি তিনি বলতে পারবেন না।
আদালত রায়ে উল্লেখ করেন, মামলা দায়েরের বিলম্ব এবং জব্দ তালিকা প্রস্তুতির সময়ের ব্যাখ্যা সাংঘর্ষিক ও সন্দেহযুক্ত।

রায়ে সাফাই সাক্ষ্য দেন বেসরকারি দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের দুজন সাংবাদিক। তাঁদের একজন বলেন, ২০২০ সালের ২০ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টার সময় মনিরের বাসায় র‍্যাবের অভিযান চলে। পরদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে র‍্যাবের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
আরও পড়ুন
দুবাইয়ে হুন্ডি করে টাকা পাঠাতেন ‘গোল্ডেন মনির’

আরেক টেলিভিশন সাংবাদিক আদালতকে বলেন, র‍্যাবের অভিযানের সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সরাসরি সম্প্রচার করেছিলেন। তখনকার প্রচারিত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন তিনি।

মামলার এজাহারে র‍্যাব ঘটনার সময় উল্লেখ করেছিল সকালে। তবে কয়েকজন সাক্ষী আদালতকে বলেন, ঘটনার সময় ছিল রাতে। ঘটনার সময় নিয়ে এজাহার ও সাক্ষীদের বক্তব্যের বৈপরীত্যের বিষয়ে আদালত রায়ে বলেন, সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও আদালতে উপস্থাপিত দালিলিক প্রমাণ মামলার এজাহার ও রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের বক্তব্যের সত্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

রায়ে আদালত জব্দ করা সোনা ও টাকা মনিরকে ফেরত দিতে আদেশ দেন।
এক পুলিশ কর্মকর্তার সাক্ষ্য

মনিরের বাসা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে সোনা, টাকা ও বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধারের বিষয়ে র‍্যাবের মামলায় বলা হয়, এসব সম্পদ অবৈধ। মনির বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করেছিলেন চোরাচালানের মাধ্যমে।

তবে আদালতের নির্দেশে বাড্ডা থানার তৎকালীন পরিদর্শক আবদুর রউফ মনিরের সম্পদ যাচাই করে গত বছরের ৬ জুলাই একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন। তিনি আদালতেও সাক্ষ্য দিয়েছেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আয়কর নথি যাচাই করে তিনি দেখেছেন, জব্দ করা সোনা ও টাকা মনির ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের। সোনা ও টাকার কথা মনির, তাঁর স্ত্রী ও ছেলে এবং তাঁর মায়ের আয়কর নথিতে উল্লেখ রয়েছে।ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে র‍্যাবের উদ্ধার করা সম্পদের বিষয়ে রায়ে আদালত বলেছেন, আলামত যাচাই প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে, মনিরের বাসা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে জব্দ করা ১ কোটি ৯ লাখ টাকা গাড়ি বিক্রির অর্থ। মনিরের আয়কর নথিতে ঘোষণা দেওয়া রয়েছে, তিনি নগদ ও ব্যাংকের ৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা রাখতে পারবেন। বিদেশি মুদ্রার তথ্য মনির ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের পাসপোর্টে উল্লেখ রয়েছে।

রায়ে বলা হয়েছে, বাড্ডা থানার পরিদর্শক আবদুর রউফের জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মনির একজন ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক। তিনি জাপান থেকে গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানি করে থাকেন। মনির হোসেন ১৯৮৯ সাল থেকে নিয়মিত আয়করদাতা। তিনি একটি আবাসন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকও।
যা বলেছিল র‍্যাব

মনিরকে গ্রেপ্তার করার পর র‍্যাবের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, রাজধানীর গাউছিয়া মার্কেটে কাপড়ের দোকানের বিক্রয়কর্মী ছিলেন মনির। বিমানবন্দরকেন্দ্রিক চোরাচালানকারীদের সঙ্গে জড়িয়ে মনির পরিচিতি পান ‘গোল্ডেন মনির’ নামে। বিক্রয়কর্মী থেকে চোরাচালানকারীদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার পর মনির শুরুতে কর ফাঁকি দিয়ে পোশাক, প্রসাধন, ইলেকট্রনিক পণ্য, কম্পিউটারসামগ্রীসহ বিভিন্ন মালামাল আনা-নেওয়া করতেন। পরে ভূমিদস্যুতার মাধ্যমে মনির অসংখ্য প্লটের মালিক হন।

পরে র‍্যাবের করা অস্ত্র ও সোনা উদ্ধারের মামলা দুটি তদন্ত করে পুলিশ।
সোনা ও টাকা উদ্ধারের মামলায় মনিরের খালাস পাওয়ার বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আপনি এটিও পছন্দ করতে পারেন

সংসদে সময় ‘বৈষম্যের’ অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে জামায়াতের ক্ষোভ

একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টার সঙ্গে জলবায়ু প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘অতি তৎপরতা’ নিজ মন্ত্রণালয়ে দেখালে দেশবাসী উপকৃত হতো’

হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ গেল ৪ শিশুর, মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল

Sign Up For Daily Newsletter

Be keep up! Get the latest breaking news delivered straight to your inbox.
[mc4wp_form]
By signing up, you agree to our Terms of Use and acknowledge the data practices in our Privacy Policy. You may unsubscribe at any time.
সংবাদটি শেয়ার করুন
ফেইসবুক টুইটার পিন্টারেষ্ট হোয়াট্সএ‍্যাপ হোয়াট্সএ‍্যাপ টেলিগ্রাম ইমেইল কপি লিঙ্ক প্রিন্ট
শেয়ার
আপনী কি ভাবছেন?
লাভ0
সেড0
হেপি0
স্লিপি0
এংগ্রি0
ডেড0
উইঙ্ক0
পূর্ববর্তী সংবাদ হালদায় ডিম ছেড়েছে মা মাছ
পরবর্তী সংবাদ একুশ শতকে প্রথম গণহত্যা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী
একটি মন্তব‍্য করুন একটি মন্তব‍্য করুন

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Stay Connected

235.3কে ফলোয়ার্স পছন্দ
69.1কে ফলোয়ার্স ফলো
11.6কে ফলোয়ার্স পিন
56.4কে ফলোয়ার্স ফলো
136কে সাবস্ক্রাইবার সাবস্ক্রাইব
4.4কে ফলোয়ার্স ফলো
- Advertisement -
Ad imageAd image

Latest News

কাপ্তাই ১০ আর ই সেনা ব্যাটালিয়নের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান
জনপথ জেলা উপজেলা রাঙ্গামাটি শহর থেকে দূরে জুন ২৯, ২০২৬
এমপি কাজলের প্রচেষ্টায় ঈদগাঁও উপজেলা সিসি ক্যামেরার আওতায় আসছে
জনপথ কক্সবাজার জেলা উপজেলা শহর থেকে দূরে জুন ২৯, ২০২৬
বাকলিয়া থানার পলাশ হত্যা: ১৭ বছর পর দুই আসামির যাবজ্জীবন
আইন আদালত আমাদের চট্টগ্রাম জনপথ জুন ২৯, ২০২৬
রাউজানে জেঠাত ভাইয়ের হামলায় চাচাত ভাইয়ের মৃত্যু
জনপথ জেলা উপজেলা শহর থেকে দূরে জুন ২৯, ২০২৬
নিউজ চট্টগ্রাম
আমরা রাষ্ট্র তথা এলাকার উন্নয়ন, সমস্যা এবং সম্ভাবনার কথা তুলে ধরি। আমরা কেউ কারো প্রতিপক্ষ নই কিন্তু বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আমরা আপসহীন থাকার চেষ্ঠা করি। আমরা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি যে, সংবাদপত্র রাষ্ট্রের অপর তিন স্তম্ভ- সংসদ, প্রশাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগের পর চতুর্থ স্তম্ভ। একটি কার্যকর রাষ্ট্র গঠন ও পরিচালনায় দায়িত্বশীল সংবাদপত্রের গুরুত্ব অপরিসীম।

প্রকাশক ও সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি
পারভেজ মনিরা আকতার


সম্পাদক
মির্জা ইমতিয়াজ শাওন


সম্পাদকীয় কার্যালয়
৭-৮ মুরাদপুর, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম।
+৮৮০২-৪১৩৫৫৩৬২, ০১৪০ ০৫৫৩০৪০

infocn24@gmail.com, newschattogram@gmail.com

যোগাযোগ
আমাদের কথা
ইউনিকোড কনভার্টার
গোপনীয়তার নীতিমালা

স্বত্ব নিউজ চট্টগ্রাম ২০০৫-২০২০।  আমাদের নিজস্ব সংবাদ, ছবি অবিকৃত অবস্থায় সূত্র উল্লেখ করে বিনামূল্যে যে কেউ প্রকাশ করতে পারবে।   প্রযুক্তি সহায়তায় ❤ ডেবস্ওয়্যার

রিডিং লিষ্ট থেকে মুছে ফেলুন

আন-ডু
adbanner
AdBlock Detected
Our site is an advertising supported site. Please whitelist to support our site.
ঠিক আছে, আমি হোয়াইটলিষ্ট
Welcome Back!

Sign in to your account

পাসওয়ার্ড হারিয়ে ফেলেথছন?