মিরসরাই প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক হত্যা মামলার এক আসামির উপস্থিতি ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) বেলা ১১টা থেকে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোমাইয়া আক্তার। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন।
জানা গেছে, গত ১২ মার্চ মিরসরাই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে একটি ড্রামট্রাকের চাপায় মিরসরাই উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন নিহত হন। এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে ১৪ মার্চ জোরারগঞ্জ থানায় নিহতের ছেলে আরাফাতুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শওকত আকবর সোহাগকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এজাহারভুক্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও শওকত আকবর সোহাগ সভার এক পর্যায়ে কক্ষে প্রবেশ করে একটি চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়। পরে সভা শেষ হওয়ার কিছু সময় আগে তিনি কক্ষ ত্যাগ করেন।
আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ এ সভায় একজন হত্যা মামলার আসামির উপস্থিতি নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা সৃষ্টি হয়। অনেককে এ নিয়ে কানে কানে কথা বলতে দেখা গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা সভায় উপস্থিত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শওকত আকবর সোহাগ বলেন, বুধবারের আইনৃঙ্খলা সভার শেষ দিকে আমি ভেতরে কিছুক্ষণ অবস্থান করেছি। পরে বের হয়ে যাই।
এ বিষয়ে মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোমাইয়া আক্তার বলেন, সোহাগ নামে ওই ব্যক্তি প্রবেশ করতে আমি দেখিনি। হয়তো পেছনের দরজা দিয়ে ঢুকেছেন। তবে সভায় নির্দিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ উপস্থিত থাকার নিয়ম নেই।


