মূল্যস্ফীতি রোধ, রাজস্ব ও বিনিয়োগ বাড়ানোই সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ

ভঙ্গুর সামষ্টিক স্থিতিশীলতা, দুর্বল বেসরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সংকট এবং সংকুচিত রাজস্ব সক্ষমতা নতুন সরকারের জন্য প্রধান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছে এসডিজি বাস্তবায়নে সিটিজেন প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ। সংস্থাটির মতে, টালমাটাল অবস্থা থেকে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল পথে ফেরাতে হলে এসব কাঠামোগত সমস্যার দ্রুত ও সমন্বিত সমাধান জরুরি।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে ‘নতুন সরকারের সূচনাবিন্দু : অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান।
উপস্থিত ছিলেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এবং সিটিজেন প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
অনুষ্ঠানে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, গত অন্তর্বর্তী সরকার যেসব ক্রয় ও বৈদেশিক চুক্তি করেছে, সেগুলোতে নিয়মের কোনো ব্যত্যয় হয়েছে কি না তা পর্যালোচনা করা জরুরি। এসব চুক্তি শুধু যুক্তরাষ্ট্র বা বন্দরকেন্দ্রিক নয়; বিভিন্ন ক্ষেত্রেই হয়েছে, যেগুলোর অনেক তথ্য এখনো পরিষ্কার নয়। তাই তিনি এসব বৈদেশিক চুক্তি পুনর্বিবেচনার আহবান জানান।
তিনি নতুন সরকারকে একটি উত্তরণকালীন দল গঠনের পরামর্শ দেন, যার প্রধান কাজ হবে আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালের আর্থিক ব্যবস্থাপনার ময়নাতদন্ত করে একটি ব্রিফিং ডকুমেন্ট তৈরি করা। তার ভিত্তিতে রাষ্ট্র প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবে। একই সঙ্গে আগামী মার্চের শেষনাগাদ জাতীয় সংসদে একটি আর্থিক বিবৃতি উপস্থাপনের তাগিদ দেন তিনি। ২০০৯ সালের সরকারি আয়-ব্যয় ও বাজেট ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ অনুযায়ী এই বিবৃতি সরকারের আর্থিক স্বচ্ছতার বড় নিয়ামক হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


