জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত মৌজা রেট এবং প্রকৃত বাজারমূল্যের মধ্যে বিদ্যমান বড় ব্যবধান দূর করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, মৌজা রেট বাস্তবসম্মত করা গেলে কালো টাকা সাদা করার সুযোগও অনেকাংশে বন্ধ হয়ে যাবে।
শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, শিক্ষা মন্ত্রী আ. ন. ম. এহসানুল হক, অর্থ প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মৌজা রেট প্রকৃত বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় বিভিন্ন ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি জানান, সময়ের স্বল্পতার কারণে বাজেট প্রণয়নের আগে এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তবে এখন দেশব্যাপী মৌজাভিত্তিক জরিপের মাধ্যমে বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কৃষিজমি ও অন্যান্য জমির জন্য পৃথক মূল্যায়ন করা হবে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মৌজা রেট যদি বাজারমূল্যের কাছাকাছি নিয়ে আসা যায়, তাহলে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ অনেকাংশে কমে যাবে। এ লক্ষ্যে কাজ চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রকৃত লেনদেনমূল্য প্রতিফলিত হলে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়বে এবং সম্পদের প্রকৃত মূল্যায়ন নিশ্চিত করা সহজ হবে।


